রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
সংবাদ নারায়ণগঞ্জ:- উন্নত জীবনের আশায় ট্রাক চালক জহিরুল স্বপ্ন দেখেছিলেন বিদেশ গিয়ে নিজের ভাগ্য বদলাবেন। কিন্তুু তার সেই স্বপ্ন প্রতারক দালাল কবিরের কারণে স্বপ্নই রয়ে গেল।
বিদেশ যাওয়াতো ধুরের কথা উল্ট তার বিরেুদ্ধে ষাড়ে ৮ লাখ টাকার মামলা। নিজের সহায় সম্ভল হারিয়ে নি:স্ব হয়ে এখন পথে পথে ঘুরছেন। এমনটি কেঁদে কেঁদে বলছিলেন জহিরুল।
এমনই একজন অভাগা বরগুনা জেলার আমতলী থানাধীন আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের সোনাখালী গ্রামের বাসিন্দা ও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার পাগলা দক্ষীন রসুলপুর এলাকার হত দরিদ্র, দিন মজুর তিন কন্যা সন্তানের পিতা জহিরুল ।
জহিরুল জানান, দালাল কবির হাওলাদারের সাথে পূর্ব পরিচিত থাকায় সে একদিন বলে সৌদি আরবে ভালো ভিসা আছে। তুমি যেতে চাইলে টাকা জোগার কর। আামিও তার কথায় রাজি হলাম। বিদেশে যাওয়ার জন্য ধাপে ধাপে দালাল কবিরকে টাকা দিতে থাকি। টাকা নেওয়ার সময় কৌশলে আমার কাছ থেকে ব্ল্যাংক চেকে সই করিয়ে রাখে। আমি জানতে চাইলে প্রতারক দালাল কবির বলে ভিসা আসার পর যদি তুমি না যাও এই কারণে তোমার সই রাখলাম।
এই ভাবে প্রায় পাচঁ লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা দেই কবিরকে। টাকা নিয়ে আমাকে মেডিকেল পর্যন্ত করায়। মেডিকেল করার কিছুদিন পার হওয়ার পর ভিসার কথা বলে আজকাল করতে থাকে দালাল কবির। ভিসা আসছে আসছে বলতে বলেতে পার হয়ে যায় দীর্ঘ তিন বছর।
এক পর্যায়ে আমি আমার টাকা ফেরত চাইলে কবির সেই চেকের একটি পাতায় সাড়ে সাত লাখ ও অপরটিতে এক লক্ষ টাকা ডিজওনার করায়। এবং নারায়ণগঞ্জ আদালতে মোট আট লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার মামলা দায়ের করে আমার বিরুদ্ধে। মুলত আমার টাকা আত্মসাতের উদ্যেশে নিজ ঘরে আগুন লাগিয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। সেই মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমাকে মামলায় ফাসানোর চেষ্টা করে। অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনাটি তদন্ত করে বুঝতে পারেন ঘটনাটি মিথ্যা সাজানো নাটক।
এ বিষয়ে আমি ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ জানালেও কোন প্রতিকার পাইনি। উল্ট আমি তাদের হুমকি মধ্যে আছি। বর্তমানে দালাল কবিরের কাছে পাসপোর্ট,ড্রাইভিং লাইসেন্স, জাতীয় পরিচয় পত্র রয়েছে। যার কারনে আমি অন্যত্র জীবিকা নির্ভাহ করবো তার কোন উপায় নেই। এখন মরন ছারা কোন পথ নেই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কবিরের বলেন আমাকে বলেন কালকে ফোন দেন। আমি জহিরুলের বিদেশের যাওয়ার বিষয়ে কবিরের কাছে জানতে চাইলে বলেন আপনাকে জানালে কি লাভ। এখন আমার কথা বলার সময় নেই বলে ফোন কেটে দেন দালাল কবির।